Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

 

 

সিটিজেন চার্টার

(খতিয়ান ও ম্যাপ প্রস্ত্তত সংক্রান্ত)

 

 

১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের অধীন প্রণীত প্রজাস্বত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ এর বিধান অনুসারে ভূমি রেকর্ড ও  জরিপের কাজসমূহ স্তরভিত্তিক সম্পাদিত হয়ে থাকে। রেকর্ড প্রণয়ন ও নক্সা প্রস্ত্তত কাজে নিয়োজিত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীর সাথে সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প অফিসে অথবা উপজেলায় অবস্থিত সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের কার্যালয়ে সরাসরি যোগাযোগ করে ভূমি মালিকগণ কাঙ্খিত সেবা গ্রহণ করতে পারেন। নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তা/কর্মচারীগন জরিপের স্তরসমূহে যথানিয়মে সেবা প্রদানে নিয়োজিত রয়েছেন।

 

স্তরের নাম

সেবার ধরণ, বিবরণ ও ভূমি মালিকের করণীয়

সেবা প্রদানে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারী

বিজ্ঞপ্তি প্রচার

জরিপ শুরুর পূর্বে মাইকিং ও পত্রিকায় বিজ্ঞাপনসহ ব্যাপক জনসংযোগ করা হয়। এসময় ভূমি মালিকগণকে নিজ নিজ জমির আইল/সীমানা চিহ্নিত করে রাখতে হবে।

 

সেটেলমেন্ট অফিসার/সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

ট্রাভার্স

কোন মৌজার নক্শা সম্পূর্ণ নতুন করে প্রস্ত্তত করতে যে কাঠামো স্থাপন করা হয় সেটাই ট্রাভার্স। অতঃপর পি-৭০ সীটের মাধ্যমে মৌজার নক্সা প্রস্ত্তত করা হয়। কোন মৌজার পুরানো নক্সা অর্থাৎ ব্লু-প্রিন্ট সীটের উপর জরিপ করার ক্ষেত্রে ট্রাভার্স করা হয় না।

 

ট্রাভার্স ক্যাম্প কর্মকর্তা/ টা্রাভার্স সার্ভেয়ার

কিস্তোয়ার

এই স্তরে আমিনদল প্রতি খন্ড জমি পরিমাপ করে মৌজার  নক্শা অঙ্কনের মাধ্যমে কিস্তোয়ার অথবা ব্লু-প্রিন্টে পূরোনো নক্শা সংশোধন করেন।

 

সরদার  আমিন/ হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার

খানাপুরী

কিস্তোয়ার স্তরে অঙ্কিত নক্শার প্রত্যেকটি দাগের জমিতে  উপস্থিত হয়ে আমিনদল জমির দাগ নম্বর প্রদান করেন এবং মালিকের রেকর্ড, দলিলপত্র ও দখল যাচাই করে মালিকের নাম, ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য খতিয়ানে লিপিবদ্ধ (খানাপুরী)  করেন। এ স্তরে ভূমি মালিকদের কাজ হচ্ছে আমিন দলকে জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত প্রমাণাদি  উপস্থাপন করা।

 

সরদার আমিন/ হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার

বুঝারত

বুঝারত অর্থ জমি বুঝিয়ে দেয়া। এ স্তরে আমিনদল  কর্তৃক খতিয়ান বা পর্চা জমির মালিককে সরবরাহ (বুঝারত) করা হয়, যা ‘‘মাঠ পর্চা’’ নামে পরিচিত। পর্চা বিতরণের তারিখ নোটিশ/পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার/ এলাকায় মাইকিং-এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। ভূমি মালিকগণ প্রাপ্ত পর্চার সঠিকতা যাচাই করে কোনরূপ সংশোধন বা  পরিবর্তন আবশ্যক হলে নির্দিষ্ট (Dispute) ফরম পূরণ করে তা আমিনের নিকট জমা দিবেন। হল্কা অফিসার সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের শুনানীর মাধ্যমে দ্রুত ঐ সকল বিবাদ নিষ্পত্তি করবেন।

 

সরদার আমিন/ হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার

খানাপুরী কাম বুজারত

যখন কোন মৌজা ব্লু-প্রিন্ট সীটে জরিপ করা হয় তখন উপরে বর্ণিত খানাপুরী ও বুজারত স্তরের কাজ একসাথে করা হয়।

 

তসদিক বা এটেষ্টেশন

ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদিত হয়  ক্যাম্প অফিসে। তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদন করেন একজন কানুনগো বা রাজস্ব অফিসার। জমির মালিকানা সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র ও প্রমাণাদি যাচাই করে প্রতিটি বুঝারত খতিয়ান সত্যায়ন করা হয়। এ স্তরেও ভূমি মালিকগণ পর্চা ও নক্শায় কোন সংশোধন প্রয়োজন মনে করলে বিবাদ (Dispute) দাখিল করতে পারেন এবং উপযুক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করে তা সংশোধনের সুযোগ নিতে পারেন। তসদিককৃত পর্চা জমির মালিকানার প্রাথমিক  আইনগত ভিত্তি (Legal Document) হিসাবে বিবেচিত হয়। তাই এ স্তরের কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বর্পূর্ণ।

 

তসদিক অফিসার/উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

খসড়া প্রকাশনা (ডিপি) ও আপত্তি দায়ের

তসদিকের পর জমির প্রণীত রেকর্ড সর্বসাধারণের প্রদর্শনের জন্য ৩০ দিন উন্মুক্ত রাখা হয়। এর সময়কাল উল্লেখপূর্বক ক্যাম্প অফিস হতে বিজ্ঞপ্তিও প্রচার করা হয়।  ভূমি মালকগণের নামের আদ্যের অনুযায়ী খতিয়ান বা পর্চা বর্ণানুক্রমিক ক্রমবিন্যাস করে খতিয়ানে নতুন নম্বর দেয়া হয়। তাই তসদিককৃত খতিয়ানের নতুন নম্বর অর্থাৎ ডিপি নম্বরটি সংগ্রহের জন্যও ভূমি মালিকগণকে পর্চাসহ খসড়া প্রকাশনা (ডিপি) ক্যাম্পে উপস্থিত হতে হয়। ডিপিতে প্রকাশিত খতিয়ান সম্পর্কে কারো কোন আপত্তি বা দাবী থাকলে সরকার নির্ধারিত ১০.০০ টাকার কোর্ট ফি দিয়ে নির্দিষ্ট ফরম পূরণের মাধ্যমে প্রজাস্বত্ব বিধিমালার ৩০ বিধি  অনুযায়ী আপত্তি দায়ের করা যাবে।

 

তসদিক অফিসার/ খসড়া প্রকাশনা অফিসার (উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার)

আপত্তি শুনানী আপীল শুনানী

ডিপি চলাকালে গৃহীত আপত্তি মামলাসমুহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নোটিশ মারফত জ্ঞাত করে নির্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে নিষ্পত্তি করা হয়। পক্ষগণ নিজে অথবা প্রয়োজনে মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে নিজ নিজ দাবী ‘‘আপত্তি অফিসারের’’ নিকট উপস্থাপন করতে পারেন। আপত্তি অফিসার পক্ষগণকে শুনানী দিয়ে, রায় কেস নথিতে লিপিবদ্ধ করে তার সিদ্ধান্ত জানাবেন এবং খতিয়ান বা রেকর্ডে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনবেন।

 

সংশ্লিষ্ট আপত্তি অফিসার/সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার, উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস।

 

আপত্তির রায়ে সংক্ষুব্ধ পক্ষ ৩১ বিধিতে আপীল দায়ের করতে পারেন। নির্ধারিত কোর্ট ফি এবং কার্টিজ পেপারসহ সেটেলমেন্ট অফিসার বরাবর আবেদন দাখিলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট  আপত্তি মামলার রায়ের নকল গ্রহণ করতে হবে। নির্দিষ্ট ফরম পূরণের মাধ্যমে রায়ের ঐ নকলসহ আপীল দায়ের করতে হবে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নোটিশ মারফত জ্ঞাত করে নির্দিষ্ট তারিখ, সময় ও  স্থানে শুনানী গ্রহণ করে আপলী নিষ্পত্তি করা হয়।

 

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার/ চার্জ অফিসার/ জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার।

 

বিষয়

কোর্ট ফি

(ক) আবেদনপত্র

১০.০০ টাকা

(খ) নকল (শব্দ)

     * ১ হতে ৩৬০

     * ৩৬১ হতে ৭২০

     * ৭২১ হতে ১০৮১

     * ১০৮২ হতে ১৪৪০

     * ১৪৪১ হতে ১৮০০

     * ১৮০১ হতে ২১৬০

     * ২১৬১ হতে ২৫২০

     * ২৫২১ হতে ২৮৮০

 

২.৫০ টাকা

 ৫.০০ টাকা

৭.৫০ টাকা

১০.০০ টাকা

১২.৫০ টাকা

১৫.০০ টাকা

১৭.৫০ টাকা

২০.০০ টাকা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

চূড়ান্ত প্রকাশনা

আপত্তির রায় প্রদানের তারিখ থেকে (আপত্তির নকল  সরবরাহের সময় বাদ দিয়ে) ৩০ দিনের মধ্যে আপীল দায়ের না করলে তামাদির কারণে আপীল অগ্রহণযোগ্য হবে। আপীল স্তরের পরে প্রণীত রেকর্ড  বিষয়ে কেবলমাত্র তঞ্চকতা ও করণিক ভূলের অভিযোগে সেটেলমেন্ট অফিসারের নিকট প্রাতকার চাওয়া যায়।

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার/ চার্জ অফিসার/ জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার।

 

উপরোক্ত স্তরসমূহের কাজ সমাপ্তির পর আনুষাঙ্গিক  কার্যাদি সম্পন্ন করে পর্চা ও নক্সা মুদ্রণ করা হয়। মুদ্রিত নক্সা ও  পর্চা নোটিশ/পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রকাশনায় দেয়া হয়। চূড়ান্ত প্রকাশনার জন্য  সংশ্লিষ্ট উপজেলা  একটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। চূড়ান্ত প্রকাশনার সময়কাল ৩০ কর্মদিবস। এ স্তরে ভূমি মালিকগণ মুদ্রিত  নক্সা ও পর্চা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে ক্রয় করতে পারেন।

উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসার।

বিভিন্ন প্রকারের ম্যাপ ও খতিয়ানের  বিক্রয়মূল্য  নিম্নরূপঃ

ক্রমিক নং

আইটেমের নাম

নির্ধারিত মূল্য

মৌজা ম্যাপ (মুদ্রিত)

৩৫০/-

মৌজা ম্যাপ (ফটোকপি)

৩০০/-

থানা ম্যাপ (মুদ্রিত)

৫০০/-

 জেলা ম্যাপ(মুদ্রিত), সাদা-কালো

৫০০/-

জেলা ম্যাপ(মুদ্রিত), রঙিন

৭৫০/-

বাংলাদেশ ম্যাপ (মুদ্রিত)

১,২৫০/-

খতিয়ান মুদ্রিত

৬০/-

স্তরের নাম

সেবার ধরণ, বিবরণ ও ভূমি মালিকের করণীয়

সেবা প্রদানে নিয়োজিত কর্মকর্তা/ কর্মচারী

ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল ও আপীলেট ট্রাইব্যুনাল

মৌজা রেকর্ড চূড়ান্ত প্রকাশনা সংক্রান্ত  গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১ বছরের মধ্যে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল/ দেওয়ানী আদালতে প্রতিকার প্রার্থনা করা যাবে। ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে প্রতিকার না পেলে মহামান্য হাইকোর্টে আপীল করতে পারেন।

 

মৌজা সীমানা নিয়ে বিরোধ

জরিপ  জালকালীন কোন মৌজা/ উপজেলা সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ দেখা দিলে সেটেলমেন্ট অফিসার খানাপুরী কাম-বুঝারত স্তরে উক্ত বিরোধ বিধিমতে নিষ্পত্তি করবেন। আন্তঃজেলা সীমানা বিরোধ মহাপরিচালক, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ  অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশিনার এবং জেলা প্রশাসকগণের সমন্বয়ে নিষ্পত্তি করেবন।

কারিগরী  উপদেষ্টা/ সেটেলমেন্ট অফিসার।

     

 

যেহেতু তথ্য প্রবাহের আধুনিকায়নের সাথে সাথে জরিপ কাজেরও (Survey and Settlement operation) আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে এবং যেহেতু বর্তমান সনাতন পদ্ধতিতে (Traditional method) প্রস্ত্ততকৃত নক্সা বহুক্ষেত্রে ত্রুটি থেকে যায় এবং এতে অনাকাঙ্খিত সময় ক্ষেপণ হয়, সেহেতু আধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে ডিজিটাল পদ্ধতিতে দ্রুত এবং ত্রুটিমুক্ত নক্শা ও রেকর্ড প্রস্ত্ততেতর নিমিত্ত ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন (১৯৫১ সনের ২৮ নং আইন) এর ১৫২ ধারার আওতায় প্রণীত ১৯৫৫ সালের প্রজাস্বত্ব বিধিমালার সপ্তম অধ্যায়ের ২৭ নং বিধি দ্বারা মহাপরিচালকের উপর অর্পিত ক্ষমতাবলে ঐ বিধির (i) হতে (ii) স্তরের কাজ পুর্নবিন্যাসের উদ্দেশ্যে এতদ্বারা নিম্নরূপ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে-

 

(i)                প্রজাস্বতাব বিধিমালা ১৯৫৫ এর ২৭ নং বিধির (i) হতে (ii) স্তরের কাজ ডিজিটাল পদ্ধতিতে একই সাথে সম্পাদিত করা।

 

(ii)             ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের জরিপ শাখার দায়িত্বে প্রতিটি মৌজায় স্থায়ী জিডিএস পিলার স্থাপন করে তার স্থানাংক সমূহ (Co-ordinates) নির্ণয়ের মাধ্যমে মৌজা   কিস্তোয়র উপযোগী  করা হবে।

 

(iii)           ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত কিস্তোয়ার কাজ কারিগরীভাবে দক্ষ একজন কানুনগো/ উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের দায়িত্বে সম্পাদিত হবে। এ উদ্দেশ্যে নিয়োজিত কানুনগো/ উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের নেতৃত্বে একদল দক্ষ কর্মকর্তা/কর্মচারী থাকবেন যাদেরকে একটি  টীম বা ইউনিট হিসাবে গণ্য করা হবে। এই টীম/ ইউনিট কিস্তোয়ার সমাপ্তির পর দখলনোট, নক্শা যাচাইসহ অন্যন্য কাজ সম্পাদন করবেন।

 

(iv)           অতঃপর তিনি (কানুনগো/ উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার) স্বয়ং খতিয়ান (Record of Rights) প্রস্ত্ততআরম্ভ করেবন এবং খতিয়ানে ‘তসদিককৃত’ শব্দ ও নিজ নামের সীলসহ স্বাক্ষর করে খতিয়ানের ১ কপি ভূমি মালিকদের বুঝিয়ে দিবেন যা তসদিক স্ত্তরে  কাজ হিসেবে গণ্য হবে। এভাবে প্রস্ত্ততকৃত খতিয়ান ও নক্শা ৬০(ষাট) কার্যদিবস পর্যন্ত ভূমি মালিকদের দেখার জন্য ও আপত্তি দাখিরে জন্য উন্মুক্ত  থাকবে।

 

(v)             আপত্তি দাখিলের পর আপত্তি নিষ্পত্তি, আপীল নিষ্পত্তি ও চূড়ান্ত রেকর্ড প্রস্ত্তত প্রক্রিয়া যথানিয়মে চলমান থাকবে।

 

বাংলাদেশের যেসব অঞ্চলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে জরিপ  কাজ হবে সেসব অঞ্চলের জন্য  এ নির্দেশনা  কার্যকরী থাকবে। বর্তমান সনাতন পদ্ধতিতে (Traditional method) যেসব এলাকায় ভূমি জরিপ চলছে সেসব এলাকার জন্য উক্ত বিধিমালার ২৭ নং বিধির (i) হতে (vi)  স্তরের নিয়ম/ কার্যক্রমে ১৯৫৫ সালের বিধিমালার ২৭ নং বিধির ৬টি স্তরের  কাজ একইসাথে স্বল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন  হবে সেহেতু সেটেলমেন্ট অফিসারগণ  কর্তৃক এই পদ্ধতিতে জরিপ কাজ আরম্ভের পূর্বে সংশ্লিষ্ট  এলাকায় ব্যাপক প্রচারণ ও গণসংযোগ করা হবে।

 

·       Gephraphic Information System (GIS)পদ্ধতিতে ম্যাপ সংরক্ষণ

১৯৯৩-৯৪ অর্থ বছরে গৃহিত Computer Based Khatian & Map Printing Modemization Project প্রকল্পের আওতায় সংগৃহিত কম্পিউটার ও ডিজিটাইজারের সাহায্যে প্রায় ৪ হাজার ম্যাপ ডিজিটাইজ করে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা হয়। সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে Digital Data-র  প্রচুর চাহিদা থাকায় এবং ধ্বংস প্রায় সি,এস নক্শাকে Scanকরে সংরক্ষণ করার লক্ষ্যে প্রকল্পটিতে সংগৃহীত  কম্পিউটার ও ডিজিটাইজারগুলো কার্যক্রম করার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক Flat Bed Scanner ও আনুসাঙ্গিক যন্ত্রপাতি সংগ্রহ  করে এবং অধিদপ্তরের প্রশিক্ষিত জনবলকে কাজে লাগিয়ে  আধুনিক পদ্ধততে ম্যাপ সংরক্ষণসহ Map Digital Databaseপ্রস্ত্তত করার উদ্যোগ  নেয়া হয়েছে।

 

·       ওয়েব সাইট(Web Site)গঠন

সেটেলমেন্ট প্রেসে প্রস্ত্ততকৃত কতিয়ানসমূহ ভূমি মালিকদের অতি প্রয়োজনীয় ভূমি মালিকানা দলিল বিধায় একটি Web Site (www.dgdlrs.gov.bd) তৈরীরমাধ্যমে এ কতিয়ানগুলোকে  ভূমি মালিকদের কাছে  আরও সহজলভ্য  করার লক্ষ্যে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর কাজ করছে।  ইতোমধ্যে মহানগর জরিপ-এ প্রস্ত্ততকৃত তেজগাঁও মৌজার খতিয়ান ও ম্যাপ Web Site-এ প্রদর্শন করা হচ্ছে।

 

·       ২০০৮-০৯ অর্থবছরে প্রকল্প/কর্মসূচী

২০০৮-০৯ অর্থবছরে Preparation of Informational Boundry Strip Maps and Mouza Maps by Scanning/Digitization শীর্ষক১ কোটি টাকার কর্মসুচী বাস্তবায়নাধীন। Strengthening of Settlement Press, Map Printing Press & Preparation of Digital Maps Project (১৮ কোটি টাকা) অনুমোদনের অপেক্ষায়। ম্যাপ মুদ্রণের ক্যাপাসিটি  বৃদ্ধির জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন জেনারেটর স্থাপন, একটি Atu Plate Processor ক্রয়, পুরাতন যন্ত্রপাতি মেরামত ও কাঁচামাল সরবরাহের নিমিত্ত ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে ২.৮৫ লক্ষ টাকার একটি  Crash Programme এর কার্যক্রম বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

 

জরুরী জ্ঞাতব্যঃ

 

·       ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের রেকর্ড ও নক্শা প্রণয়নের কাজ সম্পূর্ণ স্তরভিত্তিক।

 

·       নির্ভূল রেকর্ড প্রণয়নের স্বার্থে বিভিন্ন স্তরে পৃথক কর্মকর্তা/ কর্মচারী নিয়োজিত থাকেন।

 

·       মাঠ পর্চা সরকারীভাবে বুঝারত-কাম-তসদিক স্তরে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। বিবাদ, আপত্তি ও আপীলের রায়ে রেকর্ড  সংশোধিত হলে সংশিালষ্ট  কর্মকর্তা নিজ স্বাক্ষরে  সংশোyুধত পর্চা বিনামূল্যে সরবরাহ করবেন।

 

·       রিভিশন/জোনাল/উপজেলা/সেটেলমেন্ট  অফিসের রেকর্ডরুম থেকে আপত্তি ও আপীলের রায়ের জাবেদা নকল ছাড়া কোন পর্চা ও নক্শার সার্টিাফাইড কপি/অনুলিপি সরবরাহ করা হয় না।

 

·       অধিদপ্তর হতে নির্ধারিত মূল্যে পূর্ববর্তী জরিপ যথা C.S/S.A/R.S জরিপের নক্শা বা পর্চা (মজুদ থাকা সাপেক্ষে) সরবরাহ  করা হয়।’

 

·       জরিপ চলাকালীন বদর ফি, খতিয়ান ও নক্শার মূল্য ডিসিআর-এর মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। ডিসিআর বহির্ভূত সকল লেন-দেন নিষিদ্ধ  এবং সুনিশ্চিত দূর্নীতির পর্যায়ভূক্ত। এরূপ অবৈধ লেনদেনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষনিকভাবে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

 

·       জরিপ কার্যক্রম বিষয়ে কোন  অভিযোগ থাকরে নিম্নবর্ণিত ক্রমানুযায়ী অভিযোগ করা যাবে।

 

 

যে কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

যার কাছে অভিযোগ করতে হবে

ডিজিটাল সার্ভেয়ার

সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসার বা এ,এস,ও।

কানুনগো বা উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসার/চার্জ অফিসার।

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

সংশ্লিষ্ট অফিসার/সেটেলমেন্ট অফিসার।

উপরে বর্ণিত হয়নি এমন সব কর্মচারী এবং চার্জ অফিসার

সেটেলমেন্ট অফিসার।

সেটেলমেন্ট অফিসার

মহাপরিচালক, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর।

 

সেটেলমেন্ট অফিস /জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে নিম্নলিখিত ঠিকানা ও ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা যাবেঃ

অফিসের নাম

অফিসের অবস্থান

সেটেলমেন্ট অফিসার/জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসারের ফোন নম্বর

সেটেলমেন্ট অফিস, ঢাকা

৩য় তলা, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, ২৮ শহীদ তাজ উদ্দিন  আহম্মেদ সরণী, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮

০২-৯১৩১৫৭৩, ০১৭১১-২৩৫৩৯৩

সেটেলমেন্ট অফিস, দিয়ারা অপারেশন, ঢাকা

৪র্থ তলা, ঐ

০২-৯১১৭২১০, ০১৮১৯-২৫০২৫৫

সেটেলমেন্ট অফিস, ময়মনসিংহ

কাঁচিঝুলি মোড়, ময়মনসিংহ

০৯১-৬৬২৫৯, ০১৭১১-১১৮৭৬০

সেটেলমেন্ট অফিস,পাবনা

গোপালপুর, পাবনা  সদর

০৭৩১-৬৬০২৫, ০১৭১১-৩৮৪৯০৭

জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, যশোর

দড়াটানা মোড়, যশোর কালেক্টরেট, যশোর সদর

০৪২১-৬৮৯৭৬, ০১৭১০-৯৪৪২২১

জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, খুলনা

বিভাগীয় কমিশনারের সচিবালয়, বয়রা, খুলনা সদর

০৪১-৭৬০৪৩৯, ০১৭১২-১৫৭৪০৫

জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, ফরিদপুর

ষ্টেডিয়াম ভবন, কমলাপুর, ফরিদপুর সদর

০৬৩১-৬২৭০৫, ০১৭১২-০০৭২৯০

জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, রংপুর

কাচারীবাজার, রংপুর সদর

০৫২১-৬২৫৮১, ০১৭১১-৭৩৫৬০৯

জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, বগুড়া

মালতিনগর, বক্সীবাজার মোড়, বগুড়া  সদর

০৫১-৭৮৭০০, ০১৭১৫-৪০৬৫৪৫

জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, বরিশাল

বিভাগীয় ভূমি কমপ্লেক্স, লঞ্চঘাট,  পোর্ট রোড, বরিশাল সদর

০৪৩১-৬৪৪৮৭, ০১৭১১-৯৫৯৩৯৭

জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, টাঙ্গাইল

পুরাতন ফৌজদারী কোর্ট ভবন, আকুরটাকুর, টাঙ্গাইল সদর

০৯২১-৫৪১৩৫, ০১৭১১-৬৪৮০৩৮

জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, সিলেট

বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, ৪র্থ তলা, আলমপুর, দনি সুরমা, সিলেট

০৮২১-৮৪০২৪৮, ০১৭১১-৩১০৪৫৩

জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, নোয়াখালী

মাইজদী কোর্ট, লীনারায়নপুর, নোয়াখালী সদর

০৩২১-৬১০৭৭, ০১৭১৫-০৩১৫১৫

জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, কুমিল্লা

ফৌজদারী কোর্ট কম্পাউন্ড, ছোতরা, কুমিল্লা সদর

০৮১-৬৫৫১২, ০৭১৩২-৮৫২৯৯৮

 

                                  সহযোগিতায়ঃ act:onaid     

      

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, ২৮, শহীদ তাজ উদ্দিন  আহম্মেদ সরণী, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮ কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত, ফোনঃ ৮১১২৩৮০,  ফ্যাক্সঃ ৯১২২৮৪৯

Web : www.dgdlrs.gov.bd, e-mail : dgdlrs@gmail.com